আপনার থাপ্পড় এর রেশিও ঠিক আছে কী?

এক ব্যক্তি ২য় অন্য ব্যক্তিকে উত্তপ্ত আলোচনার এক পর্যায়ে দিল গালে কষে থাপ্পড় কসিয়ে। ২য় ব্যক্তি ১ম ব্যক্তির হাতের দিকে উদ্ভুত দৃষ্টি নিয়ে থাকিয়ে থাকল। ১ম ব্যক্তি ব্যক্তি আরো রাগত স্বরে চিৎকার করে জিজ্ঞাসা করল হাতে কি দেখেন?
২য় ব্যক্তি উত্তর দিল, “মনে হচ্ছে আপনার হাতের রেশিও ঠিক নাই !”

২য় ব্যক্তি থাপ্পড় এর ব্যাথা ভুলে গেল দিন শেষে, মনের কষ্টও দিন শেষ হতে হতে হালকা হয়ে গেল।
১ম ব্যক্তি সারা দিন তার হাতের দিকে তাকিয়ে দেখে পার করল যে তার হাতের রেশিও কি আসলেই সমস্যা, দিন শেষে রাতেও তার ঘুম আসল না হাতের চিন্তা নিয়ে … এভাবে হাত নিয়ে ১ম ব্যক্তি দিনের পর দিন পর করে ফেলল, তার হাতে সমস্যা, তার হাতের রেশিও ঠিক নাই।

নোটঃ ২য় ব্যক্তি হিমু হতে পারে, ১ম ব্যক্তি কে আমি জানি না।

পরামর্শঃ কাউকে থাপ্পড় দেওয়ার আগে হাতের রেশিও ঠিক আছে কিনা দেখে নিবেন।

অবৈধ হ্যান্ডসেট

প্রিয়তমা,
তোমাকে আমার পক্ষ থেকে উপহার হিসাবে পাঠানো হ্যান্ডসেটটি অবৈধ জানতে পারলাম,
তুমি কি আমাকে এখন ঘৃনা কর ?

আমাকে না হয় আর দুটো দিন পরই ঘৃনা কর,
হ্যান্ডসেটটি পুরাপুরি বন্ধ করে দেওয়ার আগে পর্যন্ত না হয় আমরা আরো
বেশি গল্প করি।

তুমি এই কটা দিন না হয় আমাকে বেশি বেশি কল দাও,
যখন তখন কল দাও, কল দিয়ে দিয়ে আমার জামার কলার ছিঁড়ে ফেল !

আমাকে বেশি বেশি এসএমএস দাও,
মিস কল দাও, আরো বেশি কিসমিস খাও।

প্রিয়তমা,
তোমার হ্যান্ডসেট অবৈধ হয়ে গেলে কি আমাদের সম্পর্কের বৈধতা নষ্ট হয়ে যাবে ?
বলও, বলো বলও, টেল মি থ্রি টাইমস !

০৫, অক্টোবর, ২০২১, হাতিরপুল (যে রাস্তা সারাদিন জ্যামাক্ত থাকে)

বিঃ দ্রঃ-১ ফেসবুক গতকাল অনেক ঘন্টা বন্ধ ছিল, তাই প্রতিবাদ স্বরূপ সকালে সিংগারা না খেয়ে একটা অবৈধ কবিতা লিখে ফেললাম।
বিঃ দ্রঃ-২ আগামী বইমেলায় কবিতার বই বের করার জন্য কবিতা লিখতেছি, বইটা বের হওয়ার আগেই পয়লা কবিতাটা ফেসবুকে লিক করে দিলাম😎

সময় খারাপ গেলে ঘাসও খাবেন কী?

আমাদের প্রতিটা দিনতো এক রকম যায় না। কোন দিন খারাপ যায় আবার কোন সময় ভালো যায়। খারাপ সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে টিকে থাকা জরুরি, এধরনের বিষয় নিয়ে একটা ছোট্ট আলোচনা।

পইপই

তুমি বল পইপই
আমি বলি চৈ চৈ
এবার তবে বেধে যাবে হৈচৈ।

তুমি বল পইপই
আমি বলি কা কা
এভাবে কষলে হিসাব
কলমের কালি হবে ফাঁকা।

তুমি বল পইপই
আমি বলি সই সই
তোমার পাতে কাঁদা
আমার পাতে দই।

তুমি বল পইপই
আমি বলি কই কই।
এভাবে সবার খুললে কাছা
বের হয়ে যাবে কালো পাছা !

=====================
ভাড়া বাসায়(যে বাসার বাড়িওয়ালা কারেন্ট এর মিটার টেম্পার করে ধরে খেয়েছিল), ২৭/০৮/২০২১

বাতাসের ভেতর দিয়ে সাঁতার কাটা

ছোট বেলায় আমি রাতে প্রায় ঘুমিয়ে স্বপ্ন দেখতাম যে আমি বাতাসের ভেতর দিয়ে সাঁতার কাটছি যেভাবে মাছেরা পানিতে সাঁতার কাটে। এই একই স্বপ্ন আমি প্রায়ই দেখতাম যদিও প্রতিবার চিত্রনাট্য আলাদা হত। এই স্বপ্নটা আমি যখন দেখতাম(স্বপ্নের ভেতর) আমি বিশ্বাস করতাম যে আমি সাঁতার কাটছি এবং বাতাসে পানির মত সাঁতার কাটা সম্ভব। কেন এই স্বপ্নটা আর দেখা হয় না আমি জানি না। স্বপ্নকে আহবান করার কোন উপায় থাকলে ভালো হত।

আমরা ঘুমিয়ে যে স্বপ্ন দেখি এটাই আসল স্বপ্ন। অনেক মটিভেশনাল স্পিকার আবার উলটা করে বলে যে আমরা ঘুমিয়ে যেটা দেখি সেইটা স্বপ্ন না জেগে যেটা দেখি সেইটা আসল স্বপ্ন। আমি এইটা বিশ্বাস করি না। মানিও না। আমি বিশ্বাস করি আমরা ঘুমিয়ে যে স্বপ্ন দেখি সেইটাই আসল স্বপ্ন। জেগে যেটা দেখি সেইটা পরিকল্পনা। পরিকল্পনার রিস্ক থাকে, স্বপ্নের কোন রিস্ক নাই। আমি একটা স্বপ্ন বেশ কয়েক বছর আগেও দেখতাম(কোণ কারণে ঐ স্বপ্নটা এখন আর দেখি না) যে আমি ইউনিভার্সিটি থেকে পাশ করি নাই, আমি পরীক্ষার হলে যাচ্ছি কিন্তু কোন ভাবেই পৌচ্ছাতে পারছি না। কিন্তু যখন ঘুম ভাঙে তখন আস্বস্থ হই যে এটা ভুল, এটা মিথ্যা ছিল, এটা স্বপ্ন ছিল। ঘুমিয়ে স্বপ্ন দেখার সুবিধা হচ্ছে স্বপ্নের ভেতর যা কিছু ঘটে তার কোন দ্বায় থাকে না, লাভ ক্ষতির হিসাব থাকে না।

স্বপ্নে দেখা চিত্রনাট্যের কোন কপিরাইট হয় না, স্বপ্নের কোন মেধাস্বত্ব প্রচলিত নাই আমাদের আইন কানুনে। মানুষ জেগে যে পরিকল্পনা করে তার অবশ্য কপিরাইট হয় বা মেধাস্বত্ব থাকে।

আমরা যে স্বপ্ন গুলো ঘুমিয়ে দেখি তার বেশির ভাগই আমাদের ঘুম ভাঙার পর মনে থাকে না। আমার ধারণা আমাদের মেমোরিতে প্রতিটি স্বপ্নের একটা প্রতিচ্ছবি জমা থাকে। একদিন বিজ্ঞানের সাহায্যে আমরা সেই স্বপ্নের লাইব্রেবীতে যুক্ত হতে পারব।

সবাইকে শুভ রাত্রি।
২২/০৮/২০২১
স্থানঃ টাকা নিয়ে পন্য সরবরাহ(অনলাইনে বিকিকিনি) না করার কারণে যে ভাবী একবার ভ্রাম্যমান আদালতে ২ লাখ টাকা জরিমানা দিয়েছিলেন আমি তার পাশের বাসায় থাকি(ঘটনা সত্য)।